• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

পদত্যাগ করলেন কেজরিওয়াল

ArvindKejriwal2ঢাকা: দিনভর নাটকীয়তা ও বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলের মধ্যে দিল্লির বিধানসভায় জনলোকপাল বিল তুলতে ব্যর্থ হয়ে কথা রাখলেন উড়ে এসে জুড়ে বসা আম আমদি পার্টির নেতা কেজরিওয়াল। বিল উত্থাপনের ব্যর্থ হওয়ার পর পরই দিল্লির মূখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান কেজরিওয়াল। কেজরিওয়াল বলেছেন, মন্ত্রিসভা দিল্লির বিধানসভা ভেঙ্গে দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। নতুন করে নির্বাচনের বিষয়টিও অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর মধ্যদিয়ে তিন মাসের মধ্যে নতুন করে নির্বাচনের পথ উন্মুক্ত হচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া দিল্লিতে কেন্দ্রীয় শাসনও জারি হতে পারে মনে ধারণা করা হচ্ছে। কেজরিওয়াল পরে সমর্থকদের উদ্দেশে দেয়া বক্তৃতায় বলেছেন, কংগ্রেস ও বিজেপি চায় না দিল্লিতে দুর্নীতি চিরতরে বন্ধ হোক। কেজরিওয়াল অবিলম্বে দিল্লিতে নির্বাচন দেয়ার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন জনগণ কংগ্রেস ও বিজেপিকে উচিত শিক্ষা দেবে। তিনি বলেন, আমি সংবিধান অনুসরণ করবো। কেন্দ্রকে আমি অনুসরণ করবো না। তিনি বলেন, কংগ্রেস ও বিজেপি মিলে পার্লামেন্টকে লজ্জায় ফেলে দিয়েছে।টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে কেজরিওয়াল ভারতের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৮মিনিটে পতদ্যাগ করেন। এর আগে তিনি বলেছিলেন, জনলোকপাল বিল পাস না হলে তিনি মূখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। এর আগে দিল্লি বিধানসভায় জন লোকপাল বিল পেশ হয়েও খারিজ হয়ে যায় বিরোধীদের তুমুল প্রতিবাদে।তীব্র হইহট্টগোলের মধ্যেই শুক্রবার দিল্লি বিধানসভায় জন লোকপাল বিল পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কিন্তু বিল পেশের প্রক্রিয়াকেই অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে তার তীব্র বিরোধিতা করে বিজেপি এবং কংগ্রেস। ফলে সম্মিলিত বিরোধিতার মুখে পেশ হয়েও খারিজ হয়ে যায় জন লোকপাল বিল।দিল্লি বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন শুরু হয় বৃহস্পতিবার থেকে। প্রথম দিনেই জন লোকপাল বিল পেশ করার কথা বলেছিলেন কেজরিওয়াল। কিন্তু বিজেপি এবং আপের ‘সহযোগী’ কংগ্রেসের বিরোধিতার মুখে বিল পেশ করতে ব্যর্থ হয় আপ সরকার। বিল পেশের প্রক্রিয়াকেই অসাংবিধানিক বলতে থাকেন বিরোধীরা। নিয়মানুযায়ী দিল্লি বিধানসভায় কোনও বিল পেশ করতে হলে উপরাজ্যপাল তথা কেন্দ্রের অনুমতির প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে তেমন কোনও অনুমতিই নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ বিরোধীদের।এখনই বিল পেশ না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন উপরাজ্যপাল। কিন্তু সেই পরামর্শ উপেক্ষা করে শুক্রবার বিলটি এনে আলোচনা বা ভোটাভুটির আবেদন করেন মুখ্যমন্ত্রী। অধ্যক্ষ বিল নিয়ে আলোচনার অনুমতি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা। ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিরোধীরা। বাধ্য হয়ে ২০ মিনিটের জন্য অধিবেশন মুলতুবি করেন অধ্যক্ষ। এর পর অধিবেশন শুরু হতেই ফের বিল পেশের পদ্ধতিগত ত্রুটির অভিযোগ তুলে ফের বিক্ষোভ শুরু হয়। আপের বিধায়কেরা বাদে বাকি সব বিধায়কই এর বিরোধিতা করেন। ফলে বিল পেশ হলেও তা খারিজ করে দিতে বাধ্য হন অধ্যক্ষ।বিলের বিরোধিতা করায় কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে আঁতাঁতের অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্য দিকে, আঁতাঁতের অভিযোগ অস্বীকার করে বিরোধী দলনেতা হর্ষ বর্ধন বলেন, ‘‘বিজেপি লোকপাল বিলের বিরোধী নয়। কিন্তু যে পদ্ধতিতে উপরাজ্যপালের অনুমতি ছাড়া বিল পেশ করা হল আমরা সেই পদ্ধতির বিরোধী।’’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ